Friday, October 30, 2020

মুক্ত লেখনী

প্রধান ম্যেনু

সাহিত্য পত্রিকা

দায়িত্ব ও একটা ভালবাসার গল্প

সেই দিন বাবা খুব চিন্তায় ছিলেন। বাবাকে খুব অস্থির লাগছিল। তিনি এই ঘর ওই ঘর করছিলেন। বাবা খুব চেষ্টা করছিলেন শান্ত থাকার এবং কাউকে কিছু বুঝতে না দেয়ার। কিন্তু মা কিভাবে যেন সব বুঝে ফেললেন এবং ঘরের আরেকজনও কারণটা ধরতে পেরেছিলেন। আমি ছোট ছিলাম তাই আমি বুঝতে পারিনি যে, কেন বাবা এত অস্থির হয়ে আছেন। কেনই বা বাজারে যাবেন বলেও না গিয়ে চিন্তিত মুখে ঘরে রয়েছেন। অনেকক্ষণ সময় এমনটা কাটল। বাবা জানতেন তার মানিব্যাগ খালি কোনো টাকা নেই। তারপরও সান্ত্বনা স্বরূপ যখন মানিব্যাগটা হাতে নিয়ে খুললেন তখন অবাক কণ্ঠে বলে উঠলেন, “আরে টাকা আসলো কোথায় থেকে?”

আসলে যা হয়েছিল তা বড় হয়ে বুঝতে পেরেছিলাম। বাবার চিন্তার কারণটা ছিল মাসের শেষ, তার সাথে সাথে ঘরের বাজারও শেষ। তাই বাজার করতে হবে, কিন্তু হাতে কোন টাকা ছিল না। তাই বাবা অস্থির হয়েছিলেন কিন্তু কাউকে বলতে পারছিলেন না। মার সাথে সাথে আরেকজন বুঝতে পেরেছিলেন এই অবস্থাটা। সেই আরেকজনটি হচ্ছেন তাদের বড় মেয়ে। যে জানতো বাবার হাতে টাকা নেই। কিন্তু সে টাকা দিতে গেলেও বাবা তা নিবেন না। তাই সে চুপি চুপি গিয়ে বাবার মানিব্যাগে টাকা রেখে আসে যাতে বাবা বুঝতে না পারে। সেই টাকা মানিব্যাগে দেখেই বাবা অবাক হয়েছিলেন। ব্যাপারটা বাবা বুঝতে না পারলেও মা কিন্তু ধরতে পেরেছিল যে এই কাজটা কে করতে পারে। সাথে সাথে এটাও বুঝতে পেরেছিলেন যে মেয়ে বড় হয়ে গেছে। বাবার কঠিন সময়ে পাশে এসে দাঁড়াতে শিখে গেছে।

পরিবারটাকে যদি মঞ্চের সাথে তুলনা করা হয়, এবং পরিবারের মানুষগুলোকে যদি এই মঞ্চের অভিনেতা বা অভিনেত্রী ধরা হয় এবং জিজ্ঞাস করা হয় এদের মধ্যে সেরা অভিনেতা বা অভিনেত্রী কে? তাহলে বলব “মা” সেরা অভিনেত্রী। কারণ মা সব বুঝেন এবং বুঝেও মাঝে মধ্যে না বুঝার মত কঠিন অভিনয়টা করে থাকেন। এবং বাবা হচ্ছেন সেরা অভিনেতা কারণ বাবা হাজার কষ্ট, চিন্তা, ধাক্কা ইত্যাদি নিজের মধ্যে রেখে কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে অভিনয় করেন ভাল আছি।

 700 total views,  9 views today

অন্যরা এখন যা পড়ছেন

পুষ্পাবাদকারী

আমিনুল ইসলাম মামুন : আবাদের জন্য সুনিপুণ প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়াটা অত্যাবশ্যক। শীতলতা ছাড়া ভালো ফুল ফোটানো খুব একটা সম্ভব হয়বিস্তারিত পড়ুন

 903 total views,  11 views today

রুপার চোখে জল

আমিনুল ইসলাম মামুন : এই পথে প্রতিদিন সকালে অফিসে যায় আদিত্য। শান্ত চেহারার ছেলেটি সুঠাম দেহের অধিকারী। গায়ের রং উজ্জ্বল।বিস্তারিত পড়ুন

 881 total views,  11 views today

স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার অপেক্ষা

কথা ঘোষ : আগামীকাল থেকে অবন্তীর ফাইনাল এক্সাম। মন না চাইলেও রাত ২টায়ও তাকে দেখা যাচ্ছে গভীর মনোযোগে বইয়ে মুখবিস্তারিত পড়ুন

 205 total views,  4 views today

  • রহস্যময় রজনী
  • একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ঈদ গল্প!
  • তিন পথিকের গল্প ও বাংলাদেশ
  • রিকশা চালকের ছেলে সজিব; আকিদুল ইসলাম সাদী
  • বাবার চিঠি; আকিদুল ইসলাম সাদী
  • উত্তম আদর্শ
  • তুমি কেন মুক্তিযোদ্ধা হতে পারোনি
  • হাইওয়ে || মশিউর রহমান শান্ত
  • পথটি মন্দ হলেও ভালবাসার যোগ্য
  • প্রবাসী | আলাউদ্দিন আদর
  • শেষচিঠি | মহিউদ্দিন মাসুদ রানা
  • ভালো আছি, ভালো থেকো
  • ভালবাসার প্রথম চিঠি!
  • একটি সাদামাটা প্রেমের গল্প
  • শাদা হাতি চুরি-বৃত্তান্ত
  • রুপার চুড়ি মুল্করাজ আনন্দ