Thursday, September 16, 2021

মুক্ত লেখনী

প্রধান ম্যেনু

সাহিত্য পত্রিকা

মুক্তিযুদ্ধের বদলে যাওয়া ইতিহাস, কেমন ছিল পত্রিকার পাতায়?

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর থেকে বিজয় দিবসে পত্রিকাগুলোতে ধীরে-ধীরে বিজয়গাঁথা কম জায়গা পেতে শুরু করে। গবেষকদের অভিমত, মানুষের মন থেকে ধীরে-ধীরে বিজয়ের স্মৃতি মুছে ফেলতেই এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পত্রিকাগুলো। অবশ্য সামরিক শাসনের মধ্যে কি ছাপা যাবে কিংবা যাবে না, সেই চাপও ছিল ষোলো আনা। ১৯৭৭ সালের পত্রিকায় বিজয় দিবস চাপা পড়ে যায় আট কলামের নয়া রাজনৈতিক ফ্রন্টের খবরে। ঠিক পরের বছর ১৬ ডিসেম্বরের পত্রিকায় ‘আজ বিজয় দিবস’ সংবাদটি পত্রিকার নিচের অংশে প্রকাশিত হতে দেখা যায়।

১৯৭৫ সালের আগস্টের পর সবকিছু থেকেই যেন হারিয়ে যেতে থাকেন বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরের বছরগুলোয় বাংলাদেশের ইতিহাস বদলে ফেলার চেষ্টা করা হয়। এমনকি পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর কোনও ছবিও ছাপা হতো না তখন। ছিল না রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দেওয়া সেই ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে কোনও নিবন্ধ। বিজয় দিবসের খবরও নেমে যায় পত্রিকার ‘লোয়ার ফোল্ডে’। পত্রিকার কোথাও পাওয়া যায় না অবিসংবাদিত চার নেতার কোনও চিহ্ন।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরামের সদস্য ওমর শেহাব বলেন, ‘এখন সেই সময়কার সব পত্রিকার তালিকা করতে হবে। সেসব পত্রিকার যেসব সম্পাদক এখনও বেঁচে আছেন, তাদের নাম প্রকাশ করে তাদের কাছে ইতিহাসটা জানতে হবে। কিভাবে তাদের কন্ঠরোধ করা হতো, নাকি সেল্ফ সেন্সরশিপের বিষয় ছিল সেই ব্যাখ্যাও চাওয়া দরকার। জানা দরকার কেন তারা সেসময় রুখে দাঁড়াতে পারেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘পত্রিকার পাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা থেকেই বোঝা যায়, জিয়াউর রহমানের গড়া বিএনপির বহুদলীয় রাজনীতি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি কতটা আজগুবি।’

১৯৮২ সালের ইংরেজি-বাংলা পত্রিকাগুলো দেখলেও বোঝা যায়, বিজয় দিবস তখন গণমানুষ বিচ্ছিন্ন হয়ে সামরিক কায়দায় পালনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

ইতিহাসবিদ মুনতাসির মামুন বলেন, ‘কিভাবে সব বদলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল ইতিহাস তার সাক্ষী। গণমাধ্যমগুলো একেবারেই স্বাধীন ছিল না। তাদের কনটেন্ট তাদের মতো করে দেওয়ার সুযোগ ছিল না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন একে একে স্বাধীনতাবিরোধীরা ক্ষমতায় আসতে থাকলো, তখন কেবল বঙ্গবন্ধু বা চার নেতার অস্তিত্ব বিলীনের অপচেষ্টাই হয়নি, সঠিক ইতিহাস যেন না জানা যায় সে ষড়যন্ত্রও বহাল ছিল।’

পত্রিকার জন্য কৃতজ্ঞতা: সিজিবিআর ও আইসিএসএফ। -বাংলা ট্রিবিউন।

 575 total views,  4 views today

অন্যরা এখন যা পড়ছেন

মাওলানা আকরাম খাঁ; একজন আলেম সাংবাদিকের জীবনকথা

রকিব মুহাম্মাদ উনিশ শতকের শেষ ভাগের কথা। উপমহাদেশে ইংরেজদের রাজত্ব চলছিল তখন। মুসলমানদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। একদিকে ইংরেজ রাজ-শক্তি, অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠবিস্তারিত পড়ুন

 2,728 total views,  4 views today

১০ জানুয়ারি ‘৭২-এর ভাষণে ছিলো ধর্মীয় চেতনা

আকিদুল ইসলাম সাদী : ১০-ই জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ২৫ শে মার্চ রাতে স্বাধীনতার ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানবিস্তারিত পড়ুন

 4,869 total views,  4 views today

ইতিহাসে কে কি আবিষ্কার করেছেন এবং কত সালে জেনে নিন

০১। কম্পিউটার → চার্লস ব্যাবেজ,যুক্তরা স্ট্র (১৮৩৬) ০২। যান্ত্রিক ক্যালকু্লেটর → চার্লস ব্যাবেজ (১৮২২) ০৩। অণুবীক্ষণ যন্ত্র → লিউয়েন হুক,যুক্তরাস্ট্রবিস্তারিত পড়ুন

 2,849 total views,  5 views today

  • ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান : স্ত্রীর জন্য সম্রাটের বিশ্বসেরা উপহার
  • একাত্তরে লন্ডন কাঁপিয়েছিল শাড়ি পরা বাঙালি মায়েদের যে মিছিল
  • কীভাবে এলো পহেলা জানুয়ারি?